মুক্তমনা প্রকাশক হত্যা ও হামলা’র তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ

প্রকাশক ও লেখকদের হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে দেশব্যাপি সমমনা সংগঠগুলোকে নিয়ে সমাবেশ ও  বিক্ষোভ মিছিল করেছে উদীচী।

এসময় মঙ্গলবার আধাবেলা (সকাল ৬টা-দুপুর ১২টা) সর্বাত্বক হরতালের ডাক দেন গনজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।

৩১ অক্টোবর দুপুরে মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান জাগৃতী’র প্রকাশককে কুপিয়ে হত্যা এবং  শুদ্ধস্বরের কার্যালয়ে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এতে শুদ্ধস্বরের প্রকাশক আহমেদুর রশীদ টুটুল, ব্লগার তারেক রহিম ও লেখক রণদীপম বসু গুরুতর আহত হয়েছেন।
উদীচী এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছে।

প্রকাশক হত্যার প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল
প্রকাশক হত্যার প্রতিবাদে সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

ইতিপূর্বে ব্লাগার ও লেখকদের উপর একাধিক হামলা ও খুনের ঘটনায় সরকার দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে করে উদীচী। ৩১ অক্টোবর ঘটনার পরপরই এক প্রতিবাদপত্রে এ অভিযোগ করে উদীচীর সভাপতি কামাল লোহনী এবং সাধারণ সম্পাদক প্রবীর সরদার। তাঁরা বলেন, “এ বছরের শুরু থেকেই বেশ কয়েকবার মুক্তমনাদের উপর হামলা এবং হত্যার ঘটনা ঘটেছে। অথচ দোষীদের আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার ও প্রসাশন। এ ব্যর্থতা প্রতিক্রিয়াশীল মৌলবাদী চক্র এবং ধর্মান্ধ গোষ্ঠীকে প্রগতিশীলদের উপর বারবার আঘাতহানার জন্য উৎসাহিত করেছে।” অভিলম্বে এ ধরনের ঘটনার যথাযথ বিচার নিশ্চিত না করলে বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বধীনতা এবং প্রগতীশিল সাংস্কৃতি চর্চা মারাত্নকভাবে বাধাগ্রস্থ হতে পারে বালে আশংকা প্রকাশ করেন উদীচীর নেতৃবিন্দ।
শাহবাগে অজিজ সুপার মার্কেটে জাগৃতির সত্বাধীকারী ফয়সাল আরেফিন দিপন ও রাজধানির লালমাটিয়ায় তিন ব্লগারের উপর হামলা এবং অতীতে মুক্তমনা ব্লগার–লেখকদের হত্যার সাথে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্ঠান্তমূলক শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা এবং মুক্ত বুদ্ধির চর্চা অব্যাহত রাখার পরিবেশ সুনিশ্চিত করার জন্য সরকাররে প্রতি দাবি জানাচ্ছে উদীচী।

Leave a Reply