Categories
অগ্রগামী জীবনী

কমরেড রবি নিয়োগী

রবি নিয়োগীর পুরো নাম রবীন্দ্র চন্দ্র নয়িোগী, যনিি ‘বপ্লিবী রবি নিয়োগী’ নামইে জন-মানুষরে কাছে কংিবদন্তীতুল্য। তাঁর জন্ম বাংলা ১৩১৬ সালরে ১৬ বশৈাখ, ইংরজেি ১৯০৯ সালরে ২৯ এপ্রলি শরেপুররে এক বখ্যিাত জমদিার পরবিার।ে বাড়রি নাম ‘নয়িোগী লজ’। তাঁর পতিার নাম রমশে নয়িোগী ও মাতা সুরবালা নয়িোগী। রবি নয়িোগীরা ছলিনে ১১ ভাইবোন। পতিা রমশে নয়িোগী পারবিারকি র্কমকাণ্ড পরচিালনার পাশাপাশি শরেপুররে সাংস্কৃতকি র্কমকাণ্ডে ব্যাপক অবদান রাখনে। শরেপুররে একটি পাঠাগার পরচিালনায় তনিি র্দীঘদনি অবদান রাখনে।

রবি নিয়োগীর শক্ষিা জীবন শুরু হয় শরেপুর ভক্টিোরয়িা একাডমেতি।ে পরে তনিি সখোন থকেে গোবন্দিপুর পসি মমেোরয়িাল-এ র্ভতি হন। ১৯২৬ সালে সখোন থকেইে তনিি মট্রেকিুলশেন পাশ করনে। স্কুলে পড়ার সময় মাত্র ১১ বছর বয়সইে রবি নয়িোগী খলোফত আন্দোলনে যুক্ত হয়ে পড়নে। তাঁর ভাই মণীন্দ্র চন্দ্র নয়িোগী, যার ডাক নাম মন,ি তনিি ছলিনে গোপন বপ্লিবী দল অনুশীলন সমতিরি সদস্য।

১৯২৬ সালে রবি নয়িোগী ময়মনসংিহরে আনন্দমোহন কলজেে ইন্টারমডিয়িটেে র্ভতি হন। সখোনে গয়িইে তনিি পুরোদমে জড়য়িে পড়নে সশস্ত্র বপ্লিবী দল ‘যুগান্তর’-এর সাথ।ে ময়মনসংিহ শহরে অবস্থতি ধীরণে সনেরে শরীরর্চচা কন্দ্রেে গয়িে নয়িমতি শরীরর্চচা শুরু করনে তনি।ি ময়মনসংিহে তখন ‘যুগান্তর’ ও ‘অনুশীলন’ সমতিরি শক্ত ঘাঁট।ি একদনি আনন্দমোহন কলজেে এক তুচ্ছ ঘটনাকে কন্দ্রে করে পুলশি বনিা কারণে ছাত্রদরে গালাগালি করতে থাক।ে রবি নয়িোগী ও তাঁর বন্ধুরা এতে ভীষণ ক্ষপেে গয়িে পুলশিকে জোর করে ধরে এনে পুকুরে ফলেে দনে। এ ঘটনায় রবি নয়িোগীর বরিুদ্ধে পুলশি মামলা দায়রে করলে কলজে র্কতৃপক্ষও তাঁকে বহস্কিার কর।ে পুলশিরে দায়রে করা মামলা থকেে বাঁচতে তনিি কলকাতায় পালয়িে চলে যান। সখোনে গয়িে র্ভতি হন বদ্যিাসাগর কলজে।ে কন্তিু কলজেে র্ভতি হলওে পড়াশোনা আর হয়ে ওঠনে।ি সখোনে সশস্ত্র সংগ্রামী সুরন্দ্রেনাথ ঘোষ, জীবন চ্যার্টাজি প্রমুখদরে সংর্স্পশে এসে একরে পর এক রাজনতৈকি সংগ্রামইে নজিকেে আরো বশেি করে নমিগ্ন করে রাখনে রবি নয়িোগী।

কলকাতাতে থাকা অবস্থায়ই তনিি রাজনীতরি মূলধারার সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়নে। ১৯২৯ সালে সদ্ধিান্ত ননে শরেপুরে ফরোর। তনিি ফরোর পর শরেপুরে আইন অমান্য আন্দোলন জোরদার হতে থাক।ে ১৯৩০ সালরে দকিে কংগ্রসে সত্যাগ্রহ আন্দোলনরে ডাক দলিে রবি নয়িোগী সইে আন্দোলনে ঝাঁপয়িে পড়নে। এই সময় তনিি ছলিনে নখিলি বঙ্গ কংগ্রসেরে র্কাযকরী কমটিরি সদস্য। সত্যাগ্রহ আন্দোলনরে পকিটেংি করতে গয়িইে তনিি প্রথমবার গ্রফেতার হন। ১৯৩৮ সালে নতোজি সুভাষ চন্দ্র বসু যখন কংগ্রসেরে প্রচার কাজ চালাতে শরেপুরে আসনে তখন সইে সভাতে সভাপতত্বি করনে বপ্লিবী রবি নয়িোগী। ১৯৩৯ সালে দ্বতিীয় বশ্বিযুদ্ধরে সময় তাঁকে নজি বাড়তিে দু’বছর অন্তরীণ অবস্থায় রাখা হয়। ১৯৪২ সালে তনিি কমউিনস্টি র্পাটরি সদস্যপদ লাভ করনে। একই বছর তনিি ময়মনসংিহ জলো কমটিরি সদস্য নর্বিাচতি হন। ১৯৩৭ সালে নত্রেকোনা জলোর দলার গ্রামে টঙ্ক প্রথার বরিুদ্ধে যে আন্দোলনরে ডাক দওেয়া হয় তার অংশ হসিবেে ১৯৪৩ সালে নালতিাবাড়তিে প্রাদশেকি কৃষক সম্মলেন অনুষ্ঠতি হয়। সখোনে নতেৃত্ব দনে রবি নয়িোগী। বাংলার কমউিনস্টি আন্দোলনরে ইতহিাসে এই সম্মলেনরে ব্যাপক ভূমকিা রয়ছে।ে এই সম্মলেন সফলভাবে সমাপ্ত করার কারণইে নতেৃবৃন্দ ১৯৪৫ সালে নত্রেকোনায় র্সবভারতীয় কৃষক সম্মলেন করার সদ্ধিান্ত নয়ে। দশেভাগরে পর এদশেরে অনকে কমউিনস্টি নতোই দশেত্যাগ করতে বাধ্য হয়ছেলিনে। একরে পর এক সাম্প্রদায়কি দাঙ্গা তখন বাংলার রাজনতৈকি ও সামাজকি পরবিশেকে বষিয়িে তুলছেলি। ১৯৫০ সালরে দাঙ্গার সময় রবি নয়িোগী ও তাঁর স্ত্রী জ্যোৎস্না নয়িোগী ময়মনসংিহ জলেে ছলিনে। তখন রবি নয়িোগীর মা-বাবা ও অন্যান্য ভাইবোনরো দশেত্যাগ করতে বাধ্য হলওে তনিি দশেত্যাগ করতে নারাজ। তাঁর সোজা কথা- ‘যতেে হয় তোমরা চলে যাও। এদশে ছড়েে আমি কোথাও যাব না। মরতে হয় এদশেইে মরব’। তনিি আর দশেত্যাগ করনেন।ি অথচ শষেবার যখন স্বরৈাচার এরশাদ সরকার আশি বছর বয়সে গ্রফেতার করে তাঁকে জলেখানায় পাঠায়, তখন রবি নয়িোগীর বরিুদ্ধে অভযিোগপত্রে বলা হয়ছেলি ‘তনিি ব্রটিশি আমল থকেে শুরু করে পাকস্তিান আমল এমনকি স্বাধীন বাংলাদশেওে ধ্বংসাত্মক কাজে লপ্তি এবং সজেন্য ওই আমলওে তনিি বারবার গ্রফেতার হয়ছেনে’। স্বাধীন দশেওে রবি নয়িোগী নর্যিাতনরে শকিার হয়ছেনে।

রবি নয়িোগী তার বরিানব্বই বছররে জীবনে ৩৪ বছর জলেে কাটয়িছেনে। পাকস্তিান আমলে চব্বশি বছররে মধ্যে ২০ বছর তনিি জলেইে ছলিনে। আত্মগোপনে কটেছেে আরো প্রায় দুই যুগ। একবার নজিরে এই জলে জীবন নয়িে বলতে গয়িে রবি নয়িোগী বলছেলিনে, ‘ব্রটিশি আমল থকেে শুরু করে আজ র্পযন্ত শুধু বঙ্গবন্ধু সরকার ছাড়া সব সরকারই আমাকে জলেে নয়িছে।ে আমি কি ওদরে জন্য এতই ভয়ঙ্কর? মানুষরে মুক্তরি কথা বল,ি এর চয়েে বশেি তো নয়’।

১৯৯৬ সালে রবি নয়িোগী শরেপুর জলো প্রসেক্লাবরে আজীবন সভাপতি মনোনীত হন। এই আমৃত্যু বপ্লিবী ২০০২ সালে শষে নঃিশ্বাস ত্যাগ করনে।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.