শেকড়ের বাইরে আমার কোনো অস্তিত্ব নেই: যতীন সরকার

যতীন সরকার বাঙালির মার্কসীয় তাত্ত্বিক। আত্ম-স্বার্থের বাইরে এসে গণমানুষের অধিকারের জন্য, শোষণমুক্তির জন্য যিনি রাজনীতি করেন। সব পরিচয়ের মধ্যে একটা পরিচয়কেই তিনি বড় হিসেবে বিবেচনা করেন- সেটা হচ্ছে তিনি শিক্ষক। শিক্ষকতাই তার কর্ম। এই শিক্ষকতার মাধ্যমেই তিনি মানুষের অন্তরে পৌঁছান। অন্তরে পৌঁছানোর পর তিনি তার কথা বলেন। তিনি যে মার্কসীয় দর্শনকে, সংস্কৃতিকে বিশ্বাস করেন সেই কথাটা ছড়িয়ে দিতে চান। আদর্শবাদের বাইরে কোনো কথা বলা কিংবা লেখেন না। পূর্বজনদের মতো তিনিও মনে করেন, ‘সংস্কৃতিটা লক্ষ্য, রাজনীতি সেই লক্ষ্যে পেঁৗঁছাবার পথ’। যতীন সরকারের সেই রাজনৈতিক আদর্শবাদ নিয়ে, দর্শন নিয়ে তার সঙ্গে কথা বলেছেন সরোজ মোস্তফা।

অর্থনীতি প্রতিদিন: আজকের যতীন সরকারের স্কুলিংটা; মানে হয়ে ওঠার তপস্যাটা কখন এবং কীভাবে শুরু হয়েছিল? Continue reading শেকড়ের বাইরে আমার কোনো অস্তিত্ব নেই: যতীন সরকার

রণেশ দাশগুপ্তের চিন্তার দিগন্ত: যতীন সরকার

এক
পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝিতে যখন আমি কলেজের ছাত্র, তখন থেকেই রণেশদাশগুপ্তের লেখার সঙ্গে আমার পরিচয়। কঠিন কঠিন লেখার অনেক কিছুই তখন বুঝতাম না যদিও, তবু তাঁর লেখা আমাকে ভীষণভাবে টানত। বারবার পড়তাম। পড়তে পড়তেই কঠিনের প্রতি একটা ভালোলাগা জন্মে গিয়েছিল। কঠিন লেখার এই লেখকটিকে দেখবার ও তাঁর সঙ্গে কথা বলার ইচ্ছে জেগেছিল তখনই। কিন্তু সে-ইচ্ছা পূরণ হতে লেগেছিল দীর্ঘদিন। একে তো আমি একজন মফস্বলবাসী নিরীহ ছাত্র- ঢাকায় গিয়ে এত বড় মাপের একজন মানুষের সঙ্গে দেখা করার মতো সাহসই সঞ্চয় করে উঠতে পারিনি- তার উপর ওই মানুষটির দেখা পাওয়াও তখন খুব সহজ ছিল না। কারণ, কারা প্রাচীরের বাইরে খোলা হওয়ায় তিনি খুব কম সময়ের জন্যই অবস্থান করতে পারতেন।
তার সঙ্গে আমার প্রথম প্রত্যক্ষ পরিচয় হয় আটষট্টিতে। Continue reading রণেশ দাশগুপ্তের চিন্তার দিগন্ত: যতীন সরকার